ডোনাল্ড ট্রাম্প আইনি ঝামেলায় ফেঁসে যাচ্ছেন !

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আইনি ঝামেলায় পড়তে পারে জর্জিয়ার নির্বাচনী কর্মকর্তাকে নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার কথা বলে। ইতিমধ্যে এফবিআইকে চিঠি দিয়েছেন দেশটির দুজন আইনপ্রণেতা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অপরাধের তদন্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য । ৪ জানুয়ারি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক তদন্ত শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন কংগ্রেসের দুজন ডেমোক্র্যাট সদস্য টেড লিউ ও ক্যাথলিন রাইস এফবিআই পরিচালক ক্রিস ওরেই বরাবর চিঠি দিয়ে । যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এমন বিচারের কোনো দেখা মিলে নেই এটাই প্রথম । প্রেসিডেন্ট ফেডারেল অপরাধ থেকে নিজেকে ক্ষমা করার ব্যবস্থা নিতে পারেন। যদিও আজ পর্যন্ত কোনো অঙ্গরাজ্য আইনে অপরাধের দায় থেকে মুক্তি নেওয়ার সুযোগ নেই প্রেসিডেন্টের ।

সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, ক্ষমতায় থাকার জন্য গণতন্ত্রকে হুমকির মধ্যে ফেলে দেওয়া হচ্ছে যা জনগনের মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন হয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নাম উল্লেখ না করে বারাক ওবামা তাঁর এক টুইট বার্তায় বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের মৌলিক অধিকার ভিত্তিকেই আজ হুমকির মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছে। গণতন্ত্রকে মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য জনগণকে এগিয়ে আসতে বলেছেন তিনি। রিপাবলিকান সিনেটর টেড ক্রুজসহ ১১ জন প্রভাবশালী সিনেটর ও অন্য আইনপ্রণেতাদের সাথে নিয়ে ৬ জানুয়ারি কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ঝামেলা পাকানো অব্যাহত রেখেছে।

তদন্ত কমিটির ক্রুজসহ অন্যদের দাবি, নির্বাচনে জালিয়াতি হয়েছে কি না, তা একটি কমিশন গঠন করে তদন্ত করা হোক। যে পর্যন্ত তদন্তের ফল বের না হয় সে পর্যন্ত ভোটের ফলাফল স্থগিত রাখা হোক। নিউইয়র্কের সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল প্রিট ভারারা বলেছেন, ফেডারেল ও জর্জিয়ার নির্বাচনী আইনে পরিষ্কার করে বলা আছে, জ্ঞানত ভোট জালিয়াতি-কারচুপিতে ইন্ধন দেওয়া বা উৎসাহিত করা দণ্ডযোগ্য অপরাধ।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২ জানুয়ারি জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের সেক্রেটারি অব স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজারকে ফোন করে, তাঁদের দীর্ঘ ফোনালাপের অডিও দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট গত কাল রবিবার প্রথম প্রকাশ করে দিলে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তোলপাড় শুরু হয় যায় । নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ট্রাম্প কেন যে প্রেসিডেন্ট হিসেবে থেকে যেতে চায়, কিন্তু আসলে তা বোধগম্য নয়।

 

আন্তর্জাতিক আরো খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন  Update News