ট্রেন দুর্ঘটনা রোধে সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ট্রেন দুর্ঘটনায় সারা দেশে আজ শোকের ছায়া। কেউ বা স্বজন হারিয়ে আজ নিঃস্ব । আবার কেউ জানেও না তার স্বজন বেঁচে আছে কিনা মারা গেছে। এই দুর্ঘটনায় শোক এবং দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । পুনরায় যাতে এধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে তার দিকে সবাইকে নজর দিতে বলেছেন এবং রেল বিভাগের সকলকে সতর্ক থাকতে বলেছেন।

শীতের মোসুমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ট্রেন দুর্ঘটনা বেশি লক্ষ করা যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। ট্রেন দুর্ঘটনা কমাতে সতর্ক থাকার পাশাপাশি চালকদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ করতে হবে বলে তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন। বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকার (বেপজার) গভর্নর বোর্ডের সভায় উপস্থিত হয়ে  ভাষণে একথা বলেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ বুলবুলের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করা গেলেও দুর্ভাগ্যবসত এই ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। সেইসাথে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বলেন, দুর্ঘটনাস্থলে রেলমন্ত্রীসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা গিয়েছেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেন উদয়ন এক্সপ্রেস এবং চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তুর্ণা নিশিথা ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে । এখন পর্যন্ত প্রায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন এবং বহু লোক আহত হয়েছে।

বেপজা এর গভর্নর বোর্ডের সভায় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব জনাব মো. নজিবুর রহমান। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, বস্ত্র এবং পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান ।